ভাগা-শেরখান সড়কের বেহাল অবস্থায় জনভোগান্তি চরমে উঠলেও উদাসীন কর্তৃপক্ষ।
রীতিমত প্রাণ হাতে নিয়ে চলতে হচ্ছে পথচারী থেকে যান-বাহন, নিত্যদিন আটকা পড়ছে সারি সারি যান বাহন। রাস্তার বেহাল দশা সংস্কারের আশায় ধলাই উপ-নির্বাচনে বিধায়ক নীহাররঞ্জন দাসকে এলাকার মানুষ এক তরফা ভাবে সমর্থন করলেও বৃহত্তর এলাকার জনতাকে বিধায়ক হতাশ করেছেন বলে অভিযোগ। রাস্তার বেহাল দশার প্রভাব পড়েছে এলাকার অর্থনীতিতেও,স্থানীয় বিধায়কের ভূমিকায় তীব্র জনক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে ভাগা এলাকায়।
আসাম-মিজোরাম সীমান্তের ভাগা-শেরখান সড়কের প্রায় দুই কিলোমিটার অংশ বেহাল অবস্থায় মুখ থুবড়ে পড়েছে। আসামের ভাগা বাজার থেকে মিজোরামের শেরখান হয়ে ৩০৬ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে যুক্ত এই সড়ক বর্তমানে সীমান্তবাসীর জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিলচর-আইজল মূল সড়ক দীর্ঘদিন অচল থাকায় বহু যানবাহন চালক বাধ্য হচ্ছেন এই বিকল্প সড়ক ব্যবহারে, আর এতেই সড়কটির অবস্থা ইদানিং বেহাল থেকে আরও বেহাল দশা ধরেছে। বিশেষ করে কর্কট এলাকায় বড় বড় গর্তের কারণে প্রায় প্রতিদিনই পণ্যবাহী ট্রাক, যাত্রীবাহী যান ও ছাত্র-ছাত্রীরা সমস্যায় পড়তে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার অর্থ বরাদ্দ হলেও রহস্যজনক ভাবে সীমান্তের ওই দুই কিলোমিটার অংশ অবহেলিত রয়ে গেছে। যানবাহন গর্তে ফেঁসে গেলে অনেক সময় চালকদের নিজ উদ্যোগে এস্কেভেটর ভাড়া করে উদ্ধার করতে হচ্ছে। এলাকার মানুষ অভিযোগ করেছেন, ধলাইয়ের বিধায়ক নীহাররঞ্জন দাসকে এককভাবে সমর্থন দেওয়া হলেও তিনি নির্বাচনের পর একবারও এলাকায় আসেননি। বৃহত্তর এলাকার জনতার দুর্ভোগের সীমা ছাড়ালেও বিধায়ক কিংবা কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ উদাসীন রয়েছেন। এলাকার হাজারো পরিবারের জীবন-জীবিকা ও সীমান্ত এলাকার অর্থনীতির সঙ্গে জড়িত এই সড়ক দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।
