শিলচরে দু’দিনের বরাক সফরে এসে নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

বিজেপির কেন্দ্রীয় মুখপাত্র অমিত মালব্যর বিতর্কিত ট্যুইট প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন— “মালব্য কি লিখেছেন আমি দেখিনি। তবে বাংলা ভাষা বাংলাদেশি ভাষা হবে কেন? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তো পশ্চিমবঙ্গের ছিলেন, বাংলাদেশে নয়। মোদি সরকারের আমলেই বাংলা ভাষাকে ক্লাসিক্যাল ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।”
ভাষা ও পরিচয় রাজনীতির প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানান— “বাংলা-অসমিয়া, বাঙালি হিন্দু-অসমিয়া হিন্দু বলে আলাদা কিছু নেই, সব হিন্দুই এক।” তিনি অভিযোগ তোলেন, এই বিভেদমূলক ইস্যু আসলে তুলছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সুস্মিতা দেব।
অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও মুখ্যমন্ত্রী কড়া অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তাঁর দাবি, “ত্রিপুরার পর আসামের শ্রীভূমি, মানকাছাড় ও ডাউকি সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটে। মাথাপিছু কুড়ি হাজার টাকার বিনিময়ে কিছু দালাল এতে জড়িত, দুঃখের বিষয় কয়েকজন হিন্দু যুবকও এই দালালিতে হাত লাগিয়েছে। সরকার ইতিমধ্যেই অনেককে গ্রেপ্তার করেছে। অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, কেউ ঢুকলেই ধরা পড়বেন।”
বরাক উপত্যকায় উচ্ছেদ অভিযানের প্রসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন— “ফরেস্ট ল্যান্ডে যদি কেউ অবৈধভাবে বসবাস করে, তবে অবশ্যই উচ্ছেদ চলবে। তবে যারা বনের জমিতে নেই, তাদের ক্ষেত্রে উচ্ছেদের প্রশ্ন আসবে না।”
এছাড়া, লক্ষীপুরের ১৯টি গ্রাম ডিমা হাসাও জেলায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার গুঞ্জন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, শুধু একটি সার্ভে করা হয়েছে, এর বাইরে আর কিছু নয়।
