রাত নামতেই ডাক্তার-নার্স শূণ্য হয়ে পড়ে বারইগ্রাম মডেল হাসপাতাল। হাসপাতালের নাইট ডিউটির রোমে ঝুলছে তালা। জরুরীকালীন পরিষেবার কক্ষে জ্বলছে আলো, ঘুরছে সিলিং ফ্যান-কিন্তু দেখা নেই চিকিৎসক বা নার্সের। নামে “মডেল” বারইগ্রাম হাসপাতালে দেখা মিললো না একজন নৈশ্য প্রহরীরও। বারইগ্রাম মডেল হাসপাতালের বেহাল পরিষেবা নিয়ে উদাসীন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

লাখো জনতার ভরসার বারইগ্রাম মডেল হাসপাতালে পরিষেবা বলতে কিছু নেই। সরকারি চিকিৎসক ও নার্সরা ইচ্ছাকৃত ভাবে কর্ম ফাঁকি দিয়ে এলাকার সাধারণ গরীব মানুষকে বেসরকারি হাসপাতালে যেতে বাধ্য করছেন। সরকারি হাসপাতালে রাত নামতেই যদি পরিষেবা লাঠে উটে তবে মডেল হাসপাতালে কি দরকার ছিল প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল। মঙ্গলবার রাতে পূর্বাঞ্চল প্রতিদিনের স্টিং অপারেশনে ধরা পড়ে পরিষেবার লজ্জাজনক চিত্র। রোগী নিয়ে হাসপাতালে পৌছে দেখা যায় গোটা হাসপাতাল ফাঁকা, একজনও ডাক্তার–নার্স এমন জরুরী পরিষেবা প্রদানকারী কোনো কর্মীও নেই হাসপাতালে। বারইগ্রাম মডেল হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের কক্ষে ১-২ জন ভর্তি থাকলেও একেবারে জনমানবশূণ্য ছিল হাসপাতাল। রোগী নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে চারদিকে ডাকাডাকি করেও নূন্যতম পরিষেবার জন্য কাউকে পাওয়া যায়নি।

এমনকি হাসপাতালে একজন নৈশপ্রহরীও ছিলেন না। অথচ হাসপাতালে পরিষেবার জন্য গিয়ে দেখা গেছে, হাসপাতালের নাইট ডিউটির রোমে তালা ঝুলছে। জরুরীকালীন পরিষেবার কক্ষে দিব্যি আলো জ্বলছে, পাকা চলছে-কিন্তু দেখা নেই কারোর। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে কাউকে না পেয়ে শেষে জরুরী পরিষেবার জন্য রোগী নিয়ে ছুটে যেতে হয়েছে অন্য হাসপাতালে। তাছাড়া, সরকার থেকে নিয়মিত চিকিরসা সরঞ্জাম সরবরাহ করলেও হাসপাতালে পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
