উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি কোথায় ? আধুনিক যুগেও ৮ বছর ধরে ঝুঁকির বাঁশের সাঁকোই ভরসা গ্রামবাসীর। ৮ বছরেও শেষ হয়নি সেতু! জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোতে চলাচল বড়খলা-চান্দপুরে। থমকে থাকা সেতুর কাজে ক্ষোভ এলাকাবাসীর।

আধুনিক যুগেও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার—বরাকের উন্নয়নের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠলো কাছাড়ে। এখনো গ্রামাঞ্চলের বহু এলাকায় জনগণের যাতায়াতের জন্য ন্যূনতম সুবিধাটুকুও নেই। যার দরুন স্বাধীনতার এত বছর পরও কাছাড়ের বড়খলা-চান্দপুরে শত শত পরিবারের যাতায়াতের সম্বল একমাত্র বাঁশের সাঁকো। এমনিতেই বড়খলার জনগণের সমস্যার শেষ নেই—রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে নদী ভাঙনের মতো সমস্যা জেরবার করছে বৃহত্তর এলাকার মানুষকে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রতিশ্রুতিতে আশায় বুক বেঁধেও উন্নয়নের কাজ চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। নির্বাচন এলেই উন্নয়নের স্লোগান, এরপর আর তেমন সাড়া মেলে না—এমন অভিমান ভেসে উঠছে গ্রামবাসীর কথায়। বড়খলার বিজয়পুর আনোয়ারপারের সেতুর পর এবার নবগঠিত চান্দপুর জিপিতেও এক ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর চিত্র সামনে এলো। অভিযোগ মতে, প্রায় ৭/৮ বছর আগে গ্রাম উন্নয়ন বিভাগ থেকে প্রায় ১৪ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছিল সেতু নির্মাণের জন্য। কিন্তু মাঝপথে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আর শেষ করা হয়নি। ফলে বিপাকে পড়েছেন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে অসুস্থ রোগীরাও। যদিও সেতু পুনর্নির্মাণের জন্য বিধায়কের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে, তবে আজও তেমন কোনো সুরাহা হয়নি বলে দাবি স্থানীয়দের। অবশেষে, তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের কাজ থমকে থাকায়।
