Iran এর সব শর্ত মানতে বাধ্য হলেন Doland Trump – অবশেষে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বিরতি

Iran এর সব শর্ত মানতে বাধ্য হলেন Doland Trump – অবশেষে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বিরতি
  1. সংঘর্ষ বিরতিতে সমঝোতার দাবি ।
  2. ইরানের ১০ দফা শর্তে সমঝোতার দাবি ।
  3. কড়া বার্তা তেহরানের ।

ইরানের ১০ দফা শর্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর আলোচনা। সংঘর্ষ বিরতিতে সমঝোতার দাবি, নজর বিশ্বজুড়ে। হরমুজ প্রণালি ও নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত সামনে। কড়া বার্তা তেহরানের, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিশ্ব।

  • রাতের মধ্যেই নিশ্চিহ্ন নয়, সংঘাত জয় ইরানের!
  • বিলম্বে হলেও সমঝোতার পথে এগোতে হল ট্রাম্পকে ।
  • ইরানের সব শর্ত মেনে নিয়ে সংঘর্ষ বিরতিতে সায় ট্রাম্পের ।
  • প্রাচীন সভ্যতা নিয়ে উত্তেজনার রাতেই দুই সপ্তাহের সংঘর্ষ বিরতি!
  • ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সহ প্রস্তাবিত ১০ দফা শর্ত মানতে বাধ্য হয়েছেন ট্রাম্প, দাবি ইরানের ।
  • “ট্রিগারে হাত আছে, ভুল পদক্ষেপে বড় পরিণতি!” যুদ্ধবিরতির মাঝেই আমেরিকাকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে তেহরান ।
  • বীর জাতি ইরানিরা বিশ্বকে দেখিয়ে দিল মাথা উঁচু করে কিভাবে লড়তে হয় ।
  • ইরানের বৈদ্যুতিক অবকাঠামোতে ট্রাম্পের হামলা হুমকির রাতে সেখানেই লাখো জনতার ঢল নেমেছিল ।
  • দেশের জন্য প্রাণ দিতে ইরানিদের এই উৎসাহ তাজ্জব করেছে বিশ্বকে, শেষে জয় হয় তাদেরই ।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাত নিরসনে তারা ১০ দফা শর্ত দিয়েছে, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মেনে নিতে ‘বাধ্য’ হয়েছেন। দেরিতে হলেও এক রাতের মধ্যেই বীরের জাতি ইরানিদের কাঙ্কিত বিজয় হাসিল হয়েছে ।

“ট্রিগারে হাত আছেই,ভুল করলেই ধ্বংস!” যুদ্ধবিরতির মাঝেই আমেরিকাকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে তেহরান । দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ইরানিয়ান ইসলামিক রিপাবলিক ব্রডকাস্টিং (আইআরআইবি) জানায়, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসন না চালানোর নিশ্চয়তা, পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার স্বীকৃতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের শর্তেই আমেরিকা রক্ষা পেয়েছে , নতুবা এক রাতেই আমেরিকাকে গুড়িয়ে দেওয়ার সব কৌশল স্থির ছিল তেহরানের । শর্তের মধ্যে স্থান পেয়েছে ইরানে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সব প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত বাতিল, সংঘাতে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবিও রয়েছে সেই তালিকায় । ইরানের ফার্স বার্তাসংস্থার বরাতে ওই ১০টি শর্ত বিস্তারিত প্রকাশ পেয়েছে । শর্তগুলো হচ্ছে-

Iran এর সব শর্ত মানতে বাধ্য হলেন Doland Trump – অবশেষে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বিরতি ।

 ১. পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরি করার অঙ্গীকার।

 ২. ইরান ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে সমস্ত ধরনের আগ্রাসন সম্পূর্ণ বন্ধ করার পথ তৈরি করতে হবে। 

 ৩. মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক ঘাঁটি থেকে ইরানের ওপর কোন ধরনের হামলা না করা।

৪. দুই সপ্তাহের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন সীমিত সংখ্যক জাহাজ চলাচলের অনুমতি। এই পারমিশন সেফ প্যাসেজ প্রটোকল এবং ইরানের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী হবে।

 ৫. ইরানের ওপর আরোপিত সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া।

৬. যুদ্ধের কারণে ইরানকে ক্ষতি পূরণ দিতে একটি বিনিয়োগ ও আর্থিক তহবিল গঠন করা।

  ৭. পারমাণবিক উপাদান সমৃদ্ধ করার ইরানের অধিকারকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয়া এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধির মাত্রা নিয়ে আলোচনা করা।

৮. মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার অনুমতি দেয়া।

  ৯. মধ্যপ্রাচ্যের সব প্রতিরোধ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অনাগ্রাসন নীতি সম্প্রসারণ করা।

 ১০. সব প্রতিশ্রুতি জাতিসংঘের একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদন করা।

এছাড়াও লেবাননসহ বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সংঘাত বন্ধ করার শর্তও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। বলা হয়েছে, আলোচনার সময় পারস্য উপসাগরের নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে । এই সব শর্তে কোনো হেরফের করলেই কড়া জবাব দেওয়া হবে বলে হুসিয়ারি দিয়েছে তেহরান ।

             প্রসঙ্গতঃ ইরানের বিদ্যুতিক উৎপাদন কেন্দ্রের অবকাঠামো ধ্বংসের টার্গেট করেছিল আমেরিকা । সেই স্থানেই মঙ্গলবার রাতে দেশের জন্য প্রাণ দিতে লাখো ইরানি জনতার ঢল নেমেছিল , এই চিত্র দেখেই তাজ্জব হয়ে যান ট্রাম্প সহ সারা বিশ্ব । কারন হামলা সম্ভাবনা নয় নিশ্চিত হামলা হবে জেনেও বিদ্যুতিক কেন্দ্রের আশপাশ এলাকায় কাফন সঙ্গে নিয়েই কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়েছিল লাখো ইরানি নারী-পুরুষ ও শিশুররা । এতেই স্পষ্ট হয় ইরানিরা দেশের জন্য প্রাণ দেওয়ার কথা শুধু মুখে বলে না , কেউ আগে প্রাণ দিবে তার প্রতিযোগীতাও চলে । আজ ইরানের রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ সামিল হয়েছেন বিজয়ের আনন্দে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *