Assam -এ নির্বাচন, জনতা কার হাতে দেবে বিজয়ের ধ্বজা

Assam -এ কাল নির্বাচন, জনতা কার হাতে দেবে বিজয়ের ধ্বজা ?
  • অসমে ভোটের লড়াই চূড়ান্ত পর্যায়ে
  • প্রত্যাবর্তন নাকি পরিবর্তন ?
  • নজর সাড়ে ৩ কোটি ভোটারের দিকে

দেশের পাঁচ রাজ্যের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ Assam -এ কাল বিধানসভা নির্বাচন। প্রায় সাড়ে ৩ কোটি ভোটার ঠিক করবেন আগামী দিনের সরকার।

Assam -এ কাল নির্বাচন, জনতা কার হাতে দেবে বিজয়ের ধ্বজা ?

রাত পোহালেই গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। উত্তর-পূর্ব ভারতের গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য অসমে কাল নির্ধারিত হবে ক্ষমতার ভবিষ্যৎ—প্রত্যাবর্তন, নাকি পরিবর্তন?

দেশের ৫ রাজ্যে বিধানসভা ভোট।  তামিলনাডু,অসম,পশ্চিমবঙ্গ,কেরল ও পুদুচেরি এই ৫টি রাজ্যের মধ্যে ৩টিই অ-বিজেপি শাসিত রাজ্য। যার মধ্যে শুধু অসম ও পুদুচেরিতেই রয়েছে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি সরকার।  এই ৫ রাজের মধ্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বড় রাজ্য অসমে রাত পোহালেই প্রায় সাড়ে ৩ কোটি জনতা তাদের মতদান করবেন।  প্রায় ১০ বছর যাবত অসমে রয়েছে বিজেপি সরকার। একসময় অসমের মুখিয়া সর্বানন্দ সোনোয়াল থাকলেও পরে বিজেপি মাস্টারস্ট্রোক খেলে Dr. Himanta Biswa Sarma-কে মুখমন্ত্রীর গদিতে বসিয়ে দেন। এখন Dr. Himanta Biswa Sarma-এর নেতৃত্বের উপরই তৃতীয় বারের মত অসমে সরকার গড়তে ভরসা রেখেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা।

তবে ছেড়ে কথা বলছে না বিরোধীরাও। বিজেপির ১০ বছরের অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি ও তোষণের রাজনীতিকে হাতিয়ার করে ময়দান কাপাচ্ছে অসমের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস ও তার জোট সঙ্গীরা। তবে পিছিয়ে নেই মওলানা বদরুদ্দিন আজমলের AIUDF, বাংলার ক্ষমতাশীন তৃণমূল কংগ্রেস ও অন্যান্য রাজনৈতক দলগুলা। তবে মূল লড়াই হবে বিজেপি মিত্রজোট ও কংগ্রেস মহাজোটের মধ্যেই, এমনটাই মনে করছে রাজনেতিক অভিজ্ঞ মহল।

এদিকে, বিজেপির তরফে দাবি করা হচ্ছে পুনরায় ক্ষমতায় আশীন হচ্ছে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে কংগ্রেসও বলছে বিজেপির সজ্বনপোষণ ও দুর্নীতির সরকারের বিদায়ের পালা। উভয় দলের দাবি থাকলেও শেয কথা যে জনতারাই বলবে, তা কিন্তু বরাবরই প্রমানিত হয়েছে। এখন দেখার বিযয়, রাত পোহালে ব্রহ্মপুত্র থেকে বরাক উপত্যকা, পাহাড় থেকে সমতল সব উপত্যকার ভোটাররা কোন দিকে তাদের মূল্যবান মতাদেশ প্রদান করেন।

অন্যদিকে, রাজনৈতিক নেতারাও বহু অংক কষাকষি শুরু করলেও জনতার মোড় কোন দিকে যায়? প্রতাবর্তন নাকি পরিবর্তন ?  তা অবশ্য জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে আগামি ৪ঠা মে পর্যন্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *