- রামকৃষ্ণনগরে বাল্যবিবাহ রুখতে পুলিশি অভিযান
- নাবালিকার বিয়ের ঘটনায় বর আটক
- জেল হেফাজতে বর
- জড়িতদের খুঁজছে পুলিশ
- ভোটের কয়েক ঘন্টা আগেই বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান চললো রামকৃষ্ণনগরে
- বাল্যবিবাহ বিরোধী অভিযানে নাবালিকাকে বিয়ের ঘটনায় আটক করা হল বরকে
- বাল্য বিবাহে জড়িত বরের মধুচন্দ্রিমা কাটল জেল হেফাজতেই
- ১৬ বছরের নাবালিকাকে বিয়ের ঘটনায় বরকে জেলে পাঠানো হয়েছে, পাশাপাশি বেআইনি বিয়ের সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদেরও খুঁজছে পুলিশ
আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ফের বাল্যবিবাহের ঘটনা সামনে এলো শ্রীভূমি জেলার রামকৃষ্ণনগরে । ঘটনায় ইতিমধ্যেই একজনকে আটক করা হয়েছে । রামকৃষ্ণনগরের এই ঘটনা ঘিরে ভোটের মুখে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে । মাত্র ১৬ বছরের এক কিশোরীকে বিয়ের অভিযোগে বরকে গ্রেপ্তার করে রামকৃষ্ণনগর পুলিশ পক্সো আইনে মামলা নথিভূক্ত করে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে । জানাগেছে , অভিযুক্তের নাম আইনুল হক । অভিযোগ মতে , সমাজিক নিষেধাজ্ঞা ও আইনকে উপেক্ষা করে নাবালিকাকে বিয়ে করেছে অভিযুক্ত আইনুল ।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ বাল্যবিবাহ বিরোধী অভিযানে নেমে আয়নুলকে গ্রেপ্তার করে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা সহ পকসো আইনের ৬ ও ১৭ ধারা এবং পিসিএম অ্যাক্টের ৯, ১০ ও ১১ ধারায় মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দ করলে জেলেই ঠাই হয়েছে ধৃত আইনুলের ।
এদিকে , নাবালিকাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে পুলিশ । প্রশাসনিক হাজারো কঠোরতার মধ্যে ফের বাল্য বিবাহের মত অপরাদ মূলক ঘটনাটি এলাকা জুড়ে বড় প্রশ্ন উত্থাপন হয়েছে । কেন এখনও বন্ধ হচ্ছে না বাল্যবিবাহ ? সচেতনতার অভাব, নাকি আইনের প্রয়োগে গাফিলতি ? ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে । স্থানীয়দের দাবি, দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হোক ।
অন্যদিকে, প্রাক্তন জিপি সভাপতি আইনুল হক বিষয়টি ষড়যন্ত্র মুলক ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত বলে আখ্যায়িত করে আনিপুর জেলা পরিষদের প্রতিনিধি তথা বর্তমান হরিনগর জিপির সভাপতি বিলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন । উল্লেখ্য আইনুল হক এবং বিলাল দুজনই বিজেপির কর্মী হলেও আইনুল সাংসদ কৃপানাথ মালার ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত । এবং বিলাল উদ্দিন বর্তমান বিধায়ক বিজয় মালাকারের ঘনিষ্ঠ। এতে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে।

















Leave a Reply