রেকর্ড গড়ল West Bengal এর প্রথম দফার ভোটে

রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছে West Bengal এর ভোটদানের হার! কিছু বিক্ষিপ্ত উত্তেজনার মধ্যেই বাংলায় প্রথম দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯২ শতাংশের অধিক।

  • West Bengal এ প্রথম দফার ভোটে নজিরবিহীন উপস্থিতি।

  • ৯২% ছাড়াল ভোটের হার।
  • কিছু বিক্ষিপ্ত উত্তেজনার মধ্যেই ভোট সম্পন্ন।
  • বিভিন্ন কেন্দ্রে পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন।
  • রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

বেশ কিছু বিক্ষিপ্ত উত্তেজনার মধ্য দিয়েই West Bengal এ সম্পন্ন হল প্রথম দফার ভোট গ্রহণ।

প্রথম দফাতেই ভোট কাস্টিংয়ের রেকর্ড গড়ল বাংলা, ৯২ শতাংশ ছাড়ালো ভোটের হার।

“এ বার প্রচুর ভোট পড়েছে,নাম বাদ পড়েছিল,কেউ রিস্ক নেননি,সকলে ভোট দিয়েছেন”- বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

লক্ষ লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী আর সড়কে সেনার সাজোয়া বাহন, ট্যাঙ্কার, প্রদর্শনী সার!

জোড়া ফুলে ভোট দিলে পদ্মফুলে যাওয়ার অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত হয় চাঁচুড়ের ছোপড়া আসনে— পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে EVM বদল করা হয়।

নিজ খাস এলাকায় চাপে পড়েন হুমায়ুন কবির— নওদায় জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধানকে ঘিরে উত্তেজনা।

উত্তর দিনাজপুর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে ধাওয়া ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে

উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে এক বৃদ্ধাও আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে

“জয় বাংলা” বনাম “জয় শ্রীরাম”— দুই শিবিরের পাল্টাপাল্টি স্লোগানে মুখরিত নন্দীগ্রাম

নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু ধর্মীয় স্লোগান তুললে, TMC প্রার্থী পবিত্র কর পাল্টা “জয় বাংলা” স্লোগান দেন— চরমে ওঠে রাজনৈতিক উত্তাপ

নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনায় প্রথম দফার ভোটে ৪ জনের মৃত্যুর খবর এবং শতাধিক আহত হওয়ার খবর মিলেছে

ভোট কাস্টিংয়ের শীর্ষস্থানে মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জ— ভোট পড়েছে ৯৫.৩৪ শতাংশ

ভোট কাস্টিংয়ের অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে মুসলিম অধ্যুষিত আসনগুলি— সবকটিতেই ৯০ শতাংশের বেশি ভোট

‘ভোটিং পার্সেন্টেজ’ই ইঙ্গিত দিচ্ছে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের’, দাবি হিমন্ত বিশ্বশর্মার!

বাংলায় রেকর্ড ভোট কাস্টিং প্রসঙ্গে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ড৹ হিমন্ত বিশ্বশর্মার মতে বাংলায় পরিবর্তন নিশ্চিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই ভাষ্য যদি সঠিক হয়, তাহলে অসমেও পরিবর্তন নিশ্চিত, কারন অসমেও এবার কাস্টিং ভোট রেকর্ড গড়েছে।

আজ পশ্চিম বাংলায় প্রথম দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে শমসেরগঞ্জ আসনে। সেখানে ভোটদানের হার ৯৫.৩৪ শতাংশ। ভগবানগোলায় ভোট পড়েছে ৯৫.৩১ শতাংশ। নন্দীগ্রামে ভোট পড়েছে ৯০.০৩ শতাংশ। বহরমপুর আসনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৯.৬০ শতাংশ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে প্রথম দফায় পড়েছে ৯১ শতাংশের অধিক।

ভোট শেষ হওয়ার এক ঘণ্টা আগেই ২০২১ বা ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ভোটদানের হারকে অনেকটা ছাপিয়ে গেল এ বারের বিধানসভা নির্বাচন। বাংলায় এবার ভোট কাস্টিংয়ে দেশের মধ্যে শীর্ষস্থান দখল করেছে। SIR-এ প্রচুর নাম বাদ পড়েছিল, এতে কেউ রিস্ক নেয়নি , সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, রেকর্ড কাস্টিং প্রসঙ্গে বললেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যাপাধ্যায়।

যে ১৫২ টি আসনে প্রথম দফার ভোট চলছে, সেগুলিতে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোট পড়েছিল ৮৩.২ শতাংশ। ২০২৪ সালের লোকসভা আসনে ৭৯.৮ শতাংশ। এবার ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে বিকেল ৫টার মধ্যেই সেই সব হার ছাপিয়ে ৮৯.৯ শতাংশ হয়ে যায়। সন্ধ্যা ৬টার পরেও ভোটদান চলে একাধিক বুথকেন্দ্রে।

দেশে ভোটদানের হারের নিরিখে সব রাজ্যের মধ্যে এখনও পর্যন্ত সর্বকালীন রেকর্ড গড়েছিল অসম। চলতি বিধানসভা ভোটে সেখানে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৮ শতাংশ। ভোটদানের রেকর্ডে দেশের সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মধ্যে এখনও পর্যন্ত শীর্ষে ছিল পুদুচেরি। অসম রাজ্যকে পিছনে ফেলে সেই নজির তারা গড়েছিল চলতি বিধানসভা নির্বাচনেই। পুদুচেরিতে ভোটদানের হার ছিল চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ৮৯.৯৩ শতাংশ। সেই দুই রাজ্যকে পিছনে ফেলল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোট । তবে চলতি বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ভোটদান কত হবে, সেই হার নজির গড়বে কি না, তা জানা যাবে দ্বিতীয় দফার পরেই। পশ্চিমবঙ্গে এর আগে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছিল ২০১১ সালে। ওই বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের হার ছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ।

আগামী বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে এর কাছাকাছি হার বজায় থাকলেই পশ্চিমবঙ্গ ভেঙে দেবে ভোটদানের যাবতীয় সর্বভারতীয় নজির। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ভোটদান কত হবে, সেই হার নজির গড়বে কি না, তা জানা যাবে দ্বিতীয় দফার পরেই। পশ্চিমবঙ্গে এর আগে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছিল ২০১১ সালে। ওই বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের হার ছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ।

এদিকে, এবারও ভোটের ভোর হিংসা দিয়েই শুরু হয়। ব্যাপক বিক্ষিপ্ত হিংসার মধ্যে বহু প্রার্থী সহ কয়েক শতাধিক মানুষ আক্রান্ত সহ চারজনের প্রাণহানী ঘটেছে বলে সূত্রে জানাগেছে। আম জনতা উন্নয়ন পার্টীর সুপ্রিমো হুমায়ন কবিরও আক্রান্ত হয়েছেন। প্রার্থী এবং পুলিশের অসংখ্য বাহনে হামলা হয়েছে, বহু স্থানে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনারের যাবতীয় কঠোরতাকে রীতিমত বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বরাবরের মতোই উত্তেজনার মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বাংলার প্রথমদফার নির্বাচন পর্ব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *