পুরসভার টিকিট কেন্দ্রিক দ্বন্দ্বে ধুন্ধুমার কাণ্ড কাছাড় জেলা কংগ্রেস ভবনে
শিলচর পুরসভা নির্বাচনের টিকিট বণ্টনকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠল কাছাড় জেলা কংগ্রেস ভবন। টিকিট বঞ্চিত বিক্ষুব্ধদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, জেলা সভাপতির চেম্বারে ভাঙচুর চালানো হয় এবং সভাপতির চেয়ার বাইরে এনে ফেলে দেওয়া হয়। এমনকি সভাপতির নামের ফলকও ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
বিক্ষুব্ধদের দাবি, শিলচর পুরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে মনোনয়ন চেয়ে আবেদন করেছিলেন পার্থ রায়। অভিযোগ, গতকাল রাত পর্যন্ত প্রার্থী প্যানেলে তাঁর নাম ছিল। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সেই নাম উধাও হয়ে যায় এবং ওই ওয়ার্ডে মহিলা প্রার্থী সুস্মিতা দাসের প্রার্থীত্ব সামনে আসে।
প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একাংশ বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস কর্মী জেলা কংগ্রেস ভবনে প্রবেশ করে প্রতিবাদ শুরু করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সভাপতির চেম্বারে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রাক্তন বিধায়ক মিসবাহুল ইসলাম লস্করকেও বিক্ষুব্ধ কর্মীদের ঘেরাওয়ের মুখে পড়তে হয় বলে জানা গেছে। তাঁকে বিভিন্ন বিষয়ে জবাবদিহি করতে বলা হয়।
হেডরুম
- শিলচর জেলা কংগ্রেস ভবনে টিকিট বণ্টন ঘিরে উত্তেজনা
- বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ
- সভাপতির চেম্বারে ভাঙচুর, বাইরে ফেলে দেওয়া হয় চেয়ার
- ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে ক্ষোভ
- নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ
পার্থ রায়ের অভিযোগ, জেলা সভাপতি সজল আচার্য, শহর কংগ্রেস সভাপতি অতনু ভট্টাচার্য এবং প্রাক্তন বিধায়ক মিসবাহুল ইসলাম লস্করের কারণেই তিনি টিকিট থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে টিকিট দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়েছে।
তবে এই অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নেতৃত্বের বক্তব্য কী, তা স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। অভিযোগগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিন শিলচর শহর কংগ্রেস সভাপতি অতনু ভট্টাচার্য, জেলা সভাপতি সজল আচার্য এবং মিসবাহুল ইসলাম লস্করের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান তুলে কংগ্রেস ভবন উত্তপ্ত করে তোলেন বিক্ষুব্ধরা।
ভোটের মুখে দলীয় কার্যালয়ে এমন অনভিপ্রেত ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে দলের অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ প্রকাশ্যে এসেছে, অন্যদিকে পুরসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি কংগ্রেস নেতৃত্বের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
এখন এই ঘটনায় দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব কী পদক্ষেপ নেয় এবং টিকিট বণ্টন নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
স্ক্রলিং
টিকিট বণ্টনকে কেন্দ্র করে শিলচর কংগ্রেসে প্রকাশ্যে এল দলের অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ। বিক্ষুব্ধদের অভিযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় এখন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
এসএম
শিলচর কংগ্রেস ভবনে তুমুল উত্তেজনা! টিকিট বঞ্চিতদের বিক্ষোভে ভাঙচুরের অভিযোগ।

















Leave a Reply